শিশ ধ্বনি ও উষ্ম ধ্বনির মধ্যে পার্থক্য কী?
শিশ ধ্বনি ও উষ্ম ধ্বনির মধ্যে পার্থক্য কী?
-
ক
বাতাসের চাপ
-
খ
জিহ্বার অগ্রভাগ হতে উচ্চারণ
-
গ
জিহ্বার কম্পন
-
ঘ
কোনটিই নয়
শিষ ধ্বনি (শ, ষ, স) এবং উষ্ম ধ্বনি (শ, ষ, স, হ) মূলত একই ধরনের ধ্বনি, তবে শিস ধ্বনিগুলো (শ, ষ, স) উচ্চারণের সময় শিস বা বাঁশির মতো আওয়াজ হয়। উষ্ম ধ্বনি হলো ঘর্ষণের মাধ্যমে সৃষ্ট ৪টি ব্যঞ্জনবর্ণ, যার মধ্যে 'হ' যোগ হয় এবং এর উচ্চারণ কিছুটা দীর্ঘ ও বাতাস ঘর্ষিত হয়। নিচে শিষ ধ্বনি ও উষ্ম ধ্বনির প্রধান পার্থক্যসমূহ দেওয়া হলোঃ
শিষ ধ্বনি | উষ্ম ধ্বনি | |
| সংজ্ঞা | যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু সংকীর্ণ পথে আংশিক বাধা পেয়ে শিস বা শাঁ শাঁ জাতীয় আওয়াজ তৈরি করে তাকে শিস ধ্বনি বলে। | শ্বাসবায়ু ঘর্ষণের ফলে সৃষ্ট ধ্বনিগুলোকে উষ্ম ধ্বনি বলে। |
| সংখ্যা | শিস ধ্বনি ৩টিঃ 'শ', 'ষ', 'স'। | উষ্ম ধ্বনি ৪টিঃ 'শ', 'ষ', 'স', 'হ'। |
| উচ্চারণ | শিস ধ্বনিগুলো (শ, ষ, স) উচ্চারণে বাতাস তীব্রভাবে বেরিয়ে আসে এবং বাঁশির মতো শব্দ হয়। | উষ্ম ধ্বনিতে 'হ' সহ চারটি ধ্বনি উচ্চারণে বাতাসের ঘর্ষণ বা উষ্ণতা অনুভূত হয়। |
| বৈশিষ্ট্য | শিস ধ্বনিগুলো মূলত ঘর্ষণজাত বা শীৎকারধ্বনি। | উষ্ম ধ্বনিগুলোর মধ্যে 'হ' কে অনেক সময় অঘোষ উষ্মধ্বনি বলা হলেও শিসধ্বনিগুলোর মতো এতে তীব্র শিস বা বাঁশির শব্দ হয় না । |
| উদাহরণ | 'স' (যেমনঃ আন্তে) 'শ' (যেমনঃ আশা) | 'হ'। |
উষ্মধ্বনি : যে ব্যঞ্জনের উচ্চারণে বাতাস মুখবিবরে কোথাও বাধা না পেয়ে কেবল ঘর্ষণপ্রাপ্ত হয় এবং শিশধ্বনির সৃষ্টি করে, সেটি উষ্মধ্বনি। যেমন— আশীষ, শিশি, শিশু ইত্যাদি। শিশ দেয়ার সঙ্গে এর সাদৃশ্য রয়েছে বলে একে শিশধ্বনিও বলা হয়।
শ, ষ, স – তিনটি উষ্ম বর্ণ। শ-বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণ স্থান পশ্চাৎ দন্তমূল। ষ-বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির - উচ্চারণ স্থান মূর্ধা এবং স-বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনির উচ্চারণ স্থান দত্ত।
Related Question
View All-
ক
হ
-
খ
ক
-
গ
ছ
-
ঘ
ষ
-
ক
শ, স, ষ
-
খ
ঙ, ঞ, ন
-
গ
প, ফ, ব
-
ঘ
য, র, ল
-
ক
ঙ, ঞ, ন, ণ
-
খ
শ, ষ, স, হ
-
গ
ঙ, চ, ভ, প
-
ঘ
খ, ছ, ঝ, প
-
ক
গ
-
খ
ফ
-
গ
জ
-
ঘ
স
-
ক
শ
-
খ
ড়
-
গ
ল
-
ঘ
র
-
ক
ক
-
খ
শ
-
গ
ড়
-
ঘ
হ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন